শাকিব আমাদের দেশের সম্পদ, তাকে হিংসে করলে হবে না, সাপোর্ট দিতে হবে

Shakib Khan Jahangir alom
Shakib Khan Jahangir alom

শাকিব খান আমাদের দেশের সম্পদ। সে সুপারস্টার এটা স্বীকার করতে হবে। দেশের ছবি করছে সঙ্গে বিদেশেও কাজ করছে সমানতালে। শাকিবকে হিংসে করলে হবে না, তাকে সাপোর্ট দিতে হবে।

২০০০ সালের পর দেশের ছবির সফল প্রযোজক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে যান। কেন দূরে সরে গিয়েছিলেন, এখন কী করছেন? চলচ্চিত্রের প্রতি তার মান অভিমান ও ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলেন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রির কিছু মানুষ আমার সাফল্যে পিছনে লেগেছিল, সেজন্য আমি দূরে সরে গিয়েছিলাম।  তারা মার্শাল আর্ট গল্পের ছবির সাফল্য সহ্য করতো না। কিন্তু সেন্সর থেকে আমার ছবি আনকাট দেয়া হতো।

বর্তমান চলচ্চিত্র নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী, কেমন মনে হচ্ছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,একেক সময় একেক ধারা আসে। এখন নাটকের পরিচালকরা ছবি বেশি বানাচ্ছে। সোশ্যাল-রোমান্টিক ছবি বানাচ্ছে। এটা ভালো। তবে ডিজিটাল ছবি হওয়ার পর আগের পরিচালকরা অনেকেই ব্যর্থ হয়েছেন। আগের মতো তো ব্যবসা নেই ফিল্মে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো চলচ্চিত্র এখন বিভক্ত। কাজের চেয়ে অকাজ নিয়ে ব্যস্ত। কেউ কাজ করলে তাকে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। এসব করে কোনো লাভ নেই। কাজকে প্রাধান্য দিতে হবে।

আসলে কি বাঁধা দেওয়া হচ্ছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হ্যাঁ তাই তো! শাকিব খান কাজ করলে তার কাজে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। তাকে বাঁধা কেন দেবে? তার ছবি মানুষ টাকা দিয়ে টিকেট কিনে দেখে। অন্যদের ছবি দেখেনা সেজন্য? সে তো দেশের বাইরে কাজ করছে। এটা আমাদের জন্য খুব সম্মানের বিষয়। শাকিব খান আমাদের দেশের সম্পদ। সে সুপারস্টার এটা স্বীকার করতে হবে। দেশের ছবি করছে সঙ্গে বিদেশেও কাজ করছে সমানতালে। শাকিবকে হিংসে করলে হবে না, তাকে সাপোর্ট দিতে হবে। কারণ, শাকিব খান কষ্ট করে তার এই পজিশন অর্জন করেছেন। শুনেছি শাকিব নাকি অনেক বেশি টাকা নেয়। আমি মনে করি, এটা তার প্রাপ্য। এই পজিশনে আসতে তার কষ্ট করতে হয়েছে। আমার সঙ্গে কয়েকটি ছবিতে শাকিব কাজ করেছে। আমি দেখেছি তার স্ট্রাগলটা।

কাজ করলে বাঁধা আসে, এটা পুরনো অভিযোগ। এমনটা কারা করেন বলে মনে হয় আপনার? এর উত্তরে তিনি বলেন, যারা বেকার তারাই ভালো কাজে বাঁধা দেয়। শাকিবকে তারাই বাঁধা দিচ্ছে। আমি নাম বলতে চাইনা। এরমধ্যে কয়েকজন মানুষ আমার পিছনেও লেগেছিল। তারা এখনো ফিল্মে আছে। এদের কাজই হচ্ছে মানুষের ভালো কাজে আঙুল দেয়া। যুগ যুগ ধরে ফিল্মে এসব মন্দ মানুষ ছিল। তবে এখন একটু বেশি। আমার মার্শাল আর্ট ছবির সাফল্য তারা সহ্য করতে পারতো না। সেজন্য ব্যাড পলিটিক্স করে আমাকে অশ্লীল ছবির নায়ক বানিয়ে ইন্ডাস্ট্রি থেকে সরিয়েছে। এতে লাভ হয়েছে কার? ক্ষতি যা হওয়ার ইন্ডাস্ট্রির হয়েছে। এসব হিংসা করা মানুষ সবখানেই থাকবে। তাদের হাতে ছবি নেই, যে কাজ করছে তাকে বাঁধা দিচ্ছে। কাজ নাই তো কি করবে!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here